মায়ের শরীর থেকেও করোনা আক্রান্ত হতে পারে শিশু, দাবি গবেষকদের- মেনে চলুন সতর্কতা

মায়ের শরীর থেকেও করোনা আক্রান্ত হতে পারে শিশু, দাবি গবেষকদের- মেনে চলুন সতর্কতা

আজ ৮ আগস্ট, ২০২১ শুরু হতে যাচ্ছে, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২১ এর প্রতিপাদ্য, “মাতৃদুগ্ধ দান সুরক্ষায়ঃসকলের সম্মিলিত দায়।“ এই লক্ষ্যে মা ও শিশু সুরক্ষার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকে।

করোনা কালীন সময়ে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে একটি হল মায়ের শরীর থেকে শিশু করোনা আক্রান্ত হতেপারে কিনা সে বিষয়ে জানা। কোভিড- ১৯ এর ধাক্কায় বিচলিত সারা দেশের মানুষ।একের পর এক করোনার নতুন নতুন তথ্যে আতঙ্ক সারা বিশ্ব। বাড়ির বয়স্ক এবং শিশুদেরকে নিয়ে চিন্তাভাবনার শেষ নেই। গর্ভস্থ সন্তানও কি আদৌ নিরাপদ এই পরিস্থিতিতে- কিংবা সদ্যোজাত শিশু? এই পরিস্থিতিতে নতুন একটি গবেষণা নিয়ে চলছে জোড় আলোচনা।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ান পেডিয়াট্রিক্স জার্নালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। করোনা অতিমারীর কালে দেশের মোট ২০টি হাসপাতাল থেকে তথ্য  সংগ্রহ করেন গবেষকরা। ওই গবেষণা অনুয়ায়ী, করোনা কালে সন্তান মায়ের কাছেও পুরোপুরি সুরক্ষিত নয়। কারণ, গর্ভাবস্থায় কিংবা সন্তান জন্মের মুহূর্তে এমন কী সন্তান জন্মের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেও শিশু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। বহু ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে ভাইরাস বাহক মা নিজেই। শিশুদের মধ্যেও বিভিন্ন ধরণের উপসর্গ প্রকাশ পায় যেমন, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। চিকিৎসা করে অনেক শিশু সুস্থ হয়ে যায় তবে মৃত্যুর হারও একেবারে কম তা নয়। যে সমস্ত মহিলা গর্ভাবস্থায় করোনা সংক্রমিত হচ্ছেন তাঁদের মধ্যেও উপসর্গহীনদের সংখ্যা তুলনামূলক কম ফলে, করোনার উপসর্গ প্রকাশ পাচ্ছে তাদেরও। এ ক্ষেত্রে মায়েদের উচিৎ চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলা।

তবে মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। সদ্যোজাত শিশুর ক্ষেত্রে তা প্রায় অসম্ভব। চিকিৎসকদের মত অনুযায়ী, জন্মের পর প্রথম ছ’মাস শিশুর খাবারমাতৃদুগ্ধ। প্রশ্ন থাকতে পারে, করোনা আক্রান্ত হলে কি শিশুকে স্তন্যপান করানো যাবে কিনা! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, কোভিড আক্রান্ত মা তাঁর সন্তানকে স্তন্যপান করাতে পারেন। সেক্ষেত্রে, অবশ্যই বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা এবং শিশুকে খাওয়ানোর আগে হাত ধুয়ে নেয়া। তবে স্তন্যপান ছাড়া অন্য সময় শিশুকে আক্রান্ত মায়ের কাছে না রাখাই ভাল। তাই করোনার তৃতীয় ঢেউ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার আগে টিকা নিন। অবশ্যই মাস্ক পরুন ।মেনে চলুন স্বাস্থ্যবিধি এবং নিজের ও সন্তানের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *